ঢাকা ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এবারের মিস ইউনিভার্সে কী হয়েছিল মেক্সিকান সুন্দরী ফাতিমা বশের সঙ্গে? স্বপ্ন নিয়েতে লিখতে এসে যেভাবে নিজেকে ‘আবিষ্কার’ করলাম যে ৫ উপায়ে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনি হবেন আরও সুখী বিসিএসে রিপিট ক্যাডার বন্ধ কেন জরুরি, এতে লাভ কার? জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে নিয়োগ, পদ ১০১ ৫০তম বিসিএস: নন-ক্যাডার পদ নির্ধারিত না হওয়ায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে বিলম্ব ‘সিন্ডিকেট’ ছেড়ে আফসোস করি: তাসনুভা তিশা জন্মদিনে নানা রকম মিম, রইল ১২টি ছবি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে আর কিছু বলতে চান না অস্কারজয়ী এই অভিনেত্রী আর্জেন্টিনা দলের সবার শরীরে ট্যাটু, আলভারেজের নেই কেন

এসবির হিসাবে ২৮ হাজার ৬৬৩টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৪:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫ ২৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৮ হাজার ৬৬৩টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি)। এর মধ্যে ৮ হাজার ২২৬টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, গত ২০ অক্টোবর নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রাক্‌–প্রস্তুতিমূলক বৈঠকে এসবির পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। আজ রোববার ওই বৈঠকের কার্যবিবরণী অনুমোদন করা হয়। সেখানে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

এবারের নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্র থাকছে ৪২ হাজার ৭৬১টি। সে হিসাবে ৬৭ শতাংশ ভোটকেন্দ্রই এবার ঝুঁকিপূর্ণ।

কার্যবিবরণীতে দেখা যায়, ইসির ওই বৈঠকে কেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনতাই ও ভোট প্রদানে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে বলে বিভিন্ন বাহিনীর পক্ষ থেকে শঙ্কার কথা তুলে ধরা হয়।

বৈঠকে সেনাবাহিনী প্রধানের প্রতিনিধি বলেন, সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দেওয়া হলে নির্বাচনে সেনাবাহিনী আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারবে। প্রয়োজন অনুযায়ী ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা ও নির্বাচনী মালামালের নিরাপত্তা রক্ষায় সেনাবাহিনীকে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা যেতে পারে। নির্বাচনী কাজের জন্য সেনাবাহিনীকে ড্রোন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারীদের গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রাখা যেতে পারে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা, ভোটার ও নির্বাচনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিরাপত্তার জন্য বাহিনীগুলোর মধ্যে অন্তঃসমন্বয় থাকতে হবে। নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ওপর হামলা, কেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনতাই, ভোট প্রদানে বাধা প্রদান ও ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে বাধা প্রদানসহ বসতবাড়িতে হামলা বা অগ্নিসংযোগের আশঙ্কা থাকতে পারে। ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় সারা দেশে ৬২টি জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা আছে। নির্বাচনের আগের তিন দিন, নির্বাচনের দিন এবং নির্বাচন–পরবর্তী চার দিনসহ মোট আট দিন সেনাবাহিনী মোতায়েন রাখা যেতে পারে।

এসবির পক্ষ থেকে বৈঠকে বলা হয়, নির্বাচনকালে অবৈধ অস্ত্রের জোগান আসতে পারে। অবৈধ অর্থের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে সিআইডিকে দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে।

বৈঠকে সিআইডির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সোশ্যাল মিডিয়া (সামাজিক মাধ্যম) ও এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ব্যবহার করে নির্বাচনে গুজব ছড়ানো হতে পারে। ইতিমধ্যে এ ধরনের অনেক কনটেন্ট (আধেয়) শনাক্ত করা হয়েছে এবং ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ জন্য র‍্যাবের সাইবার ইউনিট কাজ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

এসবির হিসাবে ২৮ হাজার ৬৬৩টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ

আপডেট সময় : ০৪:৫৪:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৮ হাজার ৬৬৩টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি)। এর মধ্যে ৮ হাজার ২২৬টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, গত ২০ অক্টোবর নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রাক্‌–প্রস্তুতিমূলক বৈঠকে এসবির পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। আজ রোববার ওই বৈঠকের কার্যবিবরণী অনুমোদন করা হয়। সেখানে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

এবারের নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্র থাকছে ৪২ হাজার ৭৬১টি। সে হিসাবে ৬৭ শতাংশ ভোটকেন্দ্রই এবার ঝুঁকিপূর্ণ।

কার্যবিবরণীতে দেখা যায়, ইসির ওই বৈঠকে কেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনতাই ও ভোট প্রদানে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে বলে বিভিন্ন বাহিনীর পক্ষ থেকে শঙ্কার কথা তুলে ধরা হয়।

বৈঠকে সেনাবাহিনী প্রধানের প্রতিনিধি বলেন, সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দেওয়া হলে নির্বাচনে সেনাবাহিনী আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারবে। প্রয়োজন অনুযায়ী ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা ও নির্বাচনী মালামালের নিরাপত্তা রক্ষায় সেনাবাহিনীকে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা যেতে পারে। নির্বাচনী কাজের জন্য সেনাবাহিনীকে ড্রোন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারীদের গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রাখা যেতে পারে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা, ভোটার ও নির্বাচনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিরাপত্তার জন্য বাহিনীগুলোর মধ্যে অন্তঃসমন্বয় থাকতে হবে। নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ওপর হামলা, কেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনতাই, ভোট প্রদানে বাধা প্রদান ও ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে বাধা প্রদানসহ বসতবাড়িতে হামলা বা অগ্নিসংযোগের আশঙ্কা থাকতে পারে। ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় সারা দেশে ৬২টি জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা আছে। নির্বাচনের আগের তিন দিন, নির্বাচনের দিন এবং নির্বাচন–পরবর্তী চার দিনসহ মোট আট দিন সেনাবাহিনী মোতায়েন রাখা যেতে পারে।

এসবির পক্ষ থেকে বৈঠকে বলা হয়, নির্বাচনকালে অবৈধ অস্ত্রের জোগান আসতে পারে। অবৈধ অর্থের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে সিআইডিকে দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে।

বৈঠকে সিআইডির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সোশ্যাল মিডিয়া (সামাজিক মাধ্যম) ও এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ব্যবহার করে নির্বাচনে গুজব ছড়ানো হতে পারে। ইতিমধ্যে এ ধরনের অনেক কনটেন্ট (আধেয়) শনাক্ত করা হয়েছে এবং ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ জন্য র‍্যাবের সাইবার ইউনিট কাজ করছে।